সচ্ছ ধারার রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে কেন প্রধানমন্ত্রীর নিকট অভিযোগ?


সিলেট রাজনীতির মাঠে সচ্ছ ধারার একজন রাজনীতিবিদ জগলু চৌধুরী। শিক্ষা জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আর্দশ বুকে লালন করে ছাত্ররাজনীতিতে আসা। দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বস্থ ব্যানগ্রেড হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিলেট জেলার সভাপতি নিবার্চিত হন এবং সুনামের সাথে সকল উপজেলা কমিটি দিয়ে প্রশংসিত হন।
জগলু চৌধুরী আওয়ামীলীগের দুর্দিনে বার বার মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে দলের জন্য নিরলস ভাবে শ্রম দিয়ে সিলেট আওয়ামীলীগ কে সুসংগঠিত করার আপ্রান চেষ্টা করেছেন।
ওয়ান-ইলেভেনের সময় সেনা সমর্থিত ফখরউদ্দিন বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের নিযার্তন – প্রলোভন সত্তেও রাজপথ থেকে এক পা পিছু হঠেননি। পুলিশের বুলেট কে তোয়াক্কা না করে রাজপথে নেমে যেতেন আওয়ামীলীগের জন্য। ২০০৭ সালের ১৪ মে সিলেট শহরতলীর বটেশ্বর চাদঁ বাগান থেকে এক সঙ্গে ৪০ জন আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করে সেনা সমর্থিত ফখরউদ্দিন সরকারের পুলিশ বাহিনী। এই ৪০ নেতা কর্মির সঙ্গে টানা ৪ মাস পরিবার বিহীন চার দেয়ালের মধ্যে বন্ধি সালায় ছিলেন জগলু চৌধুরী।
আওয়ামীলীগ নিবার্চিত হওয়ার পর জননেত্রী শেখ হাসিনা ওয়ান-ইলেভেনের কথা ভুলেন নাই। তাই তিনি সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে জগলু চৌধুরীকে উপ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
কিন্তু অবাক করার বিষয় এখন কিছু বিচিন্ন বাদী কাক আজ জগলু চৌধুরী কে নিয়ে মন্তব্য করে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করতে গিয়ে যখন পরিবার নিয়ে চলতে টাকার জন্য হিমশিম খেতে হয়, তার বিরুদ্ধে আবার নেত্রীর কাছে অভিযোগও পাঠানো হয় এবং এতে তুলা হয় নানা অপবাদ, টাকার লালসায় নাকি পরেছিলেন তিনি ও অনেককে নাকি দিয়েছিলেন হুমকি ধামকি? যা ছিল একজন সচ্ছ রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা অপপ্রচার। এরকম মিথ্যা অপবাদকারীদের জন্যই আজ রাজনীতিতে যোগ্য মানুষের অভাব। এরকম মিথ্যা অপবাদ  না ছড়িয়ে রাজনীতির সুন্দর পরিবেশ কাম্য এবং যা দেশের উপকার হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *