পিতা-মাতার হত্যাকারীদের খুন করে ভাইরাল এই মেয়ে

তালেবান জঙ্গিদের হাতে খুন হয়েছিল মেয়েটির পিতা-মাতা। এর বদলা হিসেবে নিজ হাতে গুলি করে হত্যা করেছেন পিতা-মাতার সেই খুনিদের। এ যেন হার মানালো সিনেমার  গল্পকেও। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন তালেবান জঙ্গ।

 এই ঘটনা ঘঠেছে গত সপ্তাহে আফগানিস্তানের ঘোর প্রদেশে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই তরুণীর নাম কামার গুল। হঠাৎ করেই তাদের বাড়িতে হামলা চালায় তালেবান জঙ্গিরা। জঙ্গিরা গ্রাম প্রধানগুলো পিতা কে  খুঁজছিল। তিনি সরকার গোষ্ঠীর  সমর্থক ছিলেন। কামার গুলের পিতা কে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায় তারা।

এসময় কামার গুলের মাতা বাধা দিতে চাইলে বাড়ির বাইরে উভয়কে হত্যা করে তালেবান জঙ্গিরা। ঘরের ভেতরে থাকা মেয়ে গু আর বসে থাকতে পারেননি। তাতে তুলে নেন অস্ত্র। দু’জন তালেবান জঙ্গিকে মেরে এসময় কামার গুলের মা বাধা দিতে চাইলে বাড়ির বাইরে উভয়কে হত্যা করে তালেবান জঙ্গিরা। ঘরের ভেতরে থাকা কন্যা গুল আর বসে থাকতে পারেননি। তাতে তুলে নেন অস্ত্র। দু’জন তালেবান জঙ্গিকে মেরে আরও কয়েকজনকে আহত করে উপযুক্ত বদল নেয় সে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পুলিশ কর্মকর্তা রহমান মালেকজাদা বলেন, বাড়ির ভেতরে থাকা কামার গুল তাদের পারিবারিক অস্ত্র একে-৪৭ বন্দুক হাতে তুলে নেয়। প্রথমে তার পিতা-মাতা হত্যাকারী দুই তালেবান জঙ্গি কে  হত্যা করে। এরপর আরও কয়েকজনকে আহত করে। প্রতিশোধ নেওয়ার পর গুলদের বাড়িতে হানা দিতে আসছিল তালেবান সদস্যরা। তবে গ্রামবাসী ও সরকার সমর্থিত বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে পরাস্ত হয়ে পিছু হটে তারা। কয়েকজনকে আহত করে উপযুক্ত বদল নেয় সে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পুলিশ কর্মকর্তা রহমান মালেকজাদা বলেন, বাড়ির ভেতরে থাকা কামার গুল তাদের পারিবারিক অস্ত্র একে-৪৭ বন্দুক হাতে তুলে নেয়। প্রথমে তার পিতা-মাতা হত্যাকারী দুই তালেবান যোদ্ধাকে হত্যা করে। এরপর আরও কয়েকজনকে আহত করে। প্রতিশোধ নেওয়ার পর গুলদের বাড়িতে হানা দিতে আসছিল তালেবান সদস্যরা। তবে গ্রামবাসী ও সরকার সমর্থিত বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে পরাস্ত হয়ে পিছু হটে তারা।

কামার গুল ও তার ছোট ভাইকে আফগানিস্তানের নিরাপত্তাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘোর প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র মোহামেদ আরেফ আবের। বীরত্ব দেখানোর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুলের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা চলছে। মাথার কাপড় ও হাতে মেশিনগান নিয়ে তোলা গুলের একটি ছবি গত কিছুদিন ধরে ভাইরাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *