জটিল চর্ম রোগ সোরিয়োসিস কেন হয়?

সোরিয়োসিস একধরনের চর্ম রোগ। যেখানে শরীরের স্কিন দ্রুত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। ফলস্বরূপ স্কিন অতিরিক্ত লালচে, রুক্ষ এবং পুরু হয়ে যায়। সাধারণত সোরিয়োসিস হাঁটু, কনুই এবং মাথার উপরের অংশে হয়ে থাকে।

সারা বিশ্বে এই রোগ খুব সাধারণভাবে পুরুষ ও নারী উভয়ই আক্রান্ত হয়। যেকোন বয়সেই এটা হয়ে থাকে তবে তরুণ প্রাপ্ত বয়স্করাই এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। অনেকেই মৃদু সোরিয়সিস কিংবা তীব্র সোরিয়োসিসে আক্রান্ত হতে পারে। সোরিয়োসিসকে এমন একধরনের চর্ম রোগ যা সাধারণত চিকিৎসায় পুরাপুরি নির্মুল হয় না।
সোরিয়োসেস প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা ধারণা করেন যে বংশগত ও পরিবেশের প্রভাবজনিত কারণে সোরিয়োসিস হয়ে থাকে। এছাড়াও শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেও সোরিয়োসিস হতে পারে।
সোরিয়োসিস ছোঁয়াচে নয়, তবে বংশগত প্রভাব রয়েছে। পরিবারে কারও সোরিয়োসিস থাকলে এটা পরবর্তী জেনেরেশানে হবার সম্ভাবনা থাকে।
০১/ত্বককে সর্বদা পরিস্কার রাখতে হবে এবং গোসলের পর রুক্ষতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ময়েশ্চারাইজং ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
০২/ কখনও এমন সাবান বা ক্রিম ব্যবহার করা যাবে না যা ত্বকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
০৩/অতিরিক্ত চুলকানো যাবে না, এটা ত্বকের জন্য খুব ক্ষতিকর। চুলকানো প্রতিরোধ করার জন্য করটিসোন ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।
০৪/আল্ট্রাভায়োলেট-বি সোরিয়োসিসের জন্য উপকারি থেরাপি। বাড়িতে বসেও এটি করা যায় অথবা চিকিৎসকের নিকট ফটোথেরাপি করেও এই থেরাপি গ্রহণ করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *